
মোদি যেভাবে নারী এমপিকে মন্ত্রিত্ব দেন, বিস্ফোরক মন্তব্যে নতুন বিতর্ক
March 28, 2026
BD24Live
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কেন্দ্র করে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপির নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী এক বিস্ফোরক মন্তব্যে অভিযোগ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী শারীরিক সম্পর্কের বিনিময়ে একাধিক নারী এমপিকে এবং কিছু ব্যক্তিকে মন্ত্রিপদ দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, কিছু মন্ত্রীর নাম, যেমন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী ও এস জয়শঙ্কর, হিন্দুত্ববাদী মহলের অনেকেরই পরিচিত, এবং তাদের মন্ত্রী হওয়ার পেছনেও ‘বিশেষ পরিষেবার’ কথার গুঞ্জন শোনা গেছে। এই মন্তব্যকে সমর্থন করে আরও চাঞ্চল্য তৈরি করেছেন হিন্দুত্ববাদী লেখিকা মধুপূর্ণিমা কিশওয়ার। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি আন্তর্জাতিক বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব জেফ্রি এপস্টেইন প্রসঙ্গ তুলে স্বামীর বক্তব্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ মন্তব্য করেন। সামাজিক মাধ্যমে দীর্ঘ পোস্টের মাধ্যমে কিশওয়ারও একই অভিযোগের সুরে কথা বলেন। মধুপূর্ণিমা কিশওয়ার দীর্ঘদিন ধরে হিন্দুত্ববাদী মতাদর্শের সমর্থক এবং একসময় মোদির ঘনিষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত ছিলেন। এমনকি তিনি মোদিকে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী-র সঙ্গেও তুলনা করেছিলেন। তাই তার হঠাৎ অবস্থান পরিবর্তন রাজনৈতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে এত গুরুতর অভিযোগের পক্ষে এখনো পর্যন্ত কোনো প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি, এবং প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এখানেই থেমে থাকেননি কিশওয়ার। তিনি সাবেক শিক্ষামন্ত্রী স্মৃতি ইরানির নাম উল্লেখ করে প্রশ্ন তোলেন। কীভাবে তিনি মন্ত্রী হলেন- তা নিয়ে নানা গল্প প্রচলিত থাকলেও সেসব বিষয় জনসমক্ষে আসেনি। কিশওয়ারের দাবি, ২০১৪ সালে বিদেশ সফরের সময়ও তিনি প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা বিতর্কিত কথা শুনেছেন। জানা গেছে, মধুপূর্ণিমা কিশওয়ার দীর্ঘদিন ধরে হিন্দুত্ববাদী মতাদর্শের সমর্থক হিসেবে পরিচিত। এক সময়ে তিনি মোদির ঘনিষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত হতেন এবং এমনকি মোদিকে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী-র সঙ্গেও তুলনা করেছিলেন। তাই তার হঠাৎ অবস্থান পরিবর্তন রাজনৈতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে এত গুরুতর অভিযোগের পক্ষে এখনো পর্যন্ত কোনো প্রমাণ উন্মুক্ত করা যায়নি, যা নিয়েও সমানভাবে আলোচনা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরও এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থার সূত্রে জানা গেছে, মন্তব্যগুলি প্রকাশ্যে আসার পর রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে, তবে সরকার বা শাসকদলের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিরোধী শিবিরও বিষয়টি নিয়ে সরব হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিতে পারছে না। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, বিষয়টি কি শুধুই ব্যক্তিগত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ, নাকি এর পেছনে আরও বড় কোনো ইঙ্গিত লুকিয়ে রয়েছে। প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের অভিযোগ কতটা গ্রহণযোগ্য তা নিয়েও ব্যাপক বিতর্ক চলছে।

BD24Live
Coverage and analysis from Bangladesh. All insights are generated by our AI narrative analysis engine.