Advertisement
‎ঠাকুরগাঁওয়ে চাচার অক্রমণে ভাতিজা ও বৌমা মৃত্যুশয্যায়
World

‎ঠাকুরগাঁওয়ে চাচার অক্রমণে ভাতিজা ও বৌমা মৃত্যুশয্যায়

April 2, 2026
BD24Live
Scroll

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দেবীপুর ইউনিয়নে একই বংশের চাচার হাতে ভাতিজা ও তার বৌ গুরুতর আহত হয়ে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ‎আহত জগদীশ চন্দ্র বর্মনের ছেলে অপু চন্দ্র বর্মন জানান,তার বংশীয় দাদা ও পিতা দ্বীননাথ চন্দ্র বর্মনের ছেলে জগদিশ চন্দ্র বর্মন এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পৈত্রিক জমির ঝামেলা চলছিল। দুইপক্ষই কোর্টে মামলা করলে আদালত ৭৯ শতক জমি জগদীশ এর পক্ষে রায় দেয়।কিন্তু তার চাচারা জবর-দখল করার চেষ্টা করলে ২০০৮ সালে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা মীমাংসায় বসে জগদীশকে ৪৯ শতক জমি বুঝিয়ে দেন। ‎কিন্তু ২৪ সালের ৫ই আগষ্টের পর কেশব মাষ্টার আবারও ঝামেলা শুরু করে।পরে উভয় পক্ষ ঠাকুরগাঁও আইনজীবী সমিতির দ্বারস্থ হন। ‎বৃহস্পতিবার(২এপ্রিল) ঠাকুরগাঁও আইনজীবী সমিতির অফিস কক্ষে অ্যাডভোকেট আলতাফুর ও অ্যাডভোকেট মঞ্জুর সমন্বয়ে উভয় পক্ষ দুপুর দুইটার দিকে বসার কথা। কিন্তু জগদীশ ও তার ছেলে অপু ঠাকুরগাঁও আসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলে খবর পান দেবীপুর ইউনিয়নের কালেশ্বরগাঁও মন্ডল পাড়ার মৃত সুশীলের ছেলে কেশব মাষ্টার ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা বাসায় গিয়ে তার মা করুণা রাণীর উপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়েছে। অপু আরও বলেন, এই হামলায় তার মায়ের মাথা ফেটে যায়,হাত ভেঙ্গে যায় ও পায়ে গুরুতর জখম হয়।ঘটনাস্থলে অপু ও তার বাবা জগদীশ পৌঁছালে সুশীলের ছেলে কেশব,ধনাঞ্জয়,কেশবের ছেলে রনি, ধনাঞ্জয়ের ছেলে মাধব,মাধবী,নেপালীসহ ১০/১৫ জন তার বাবা জগদীশের উপরও হামলা চালায়।এতে জগদীশের মাথা ফেটে যায় ও গুরুতর আহত হন। ‎স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও ২৫০শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।বর্তমানে তাদের চিকিৎসা চলমান। ‎অপু আরও জানান, এই ঘটনায় ভুল্লী থানায় লিখিত অভিযোগের প্রস্তুতি চলছে। ‎ভুল্লি থানার অফিসার ইনচার্জ নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন,ঘটনা সম্পর্কে তিনি অবগত আছেন।লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

‎ঠাকুরগাঁওয়ে চাচার অক্রমণে ভাতিজা ও বৌমা মৃত্যুশয্যায়
BD24Live
BD24Live

Coverage and analysis from Bangladesh. All insights are generated by our AI narrative analysis engine.

Bangladesh
Bias: Unknown
Advertisement
You might also like

Explore More