
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে থেকে অসৎ কাজ করা যায় না: শিক্ষামন্ত্রী
April 4, 2026
BD24Live
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ২০০১ সালে সর্বপ্রথম কুমিল্লার আমড়াতলী হাই স্কুল থেকে নকল প্রতিরোধ শুরু হয়েছিল। ওই সময়ে দু'জন শিক্ষককে গ্রেপ্তারও করা হয়। আবার সেই কুমিল্লায় এসেছি। শিক্ষকদের আমি সবসময় প্রটেকশন দিতাম, না দিলে তো হবে না। কোনো শিক্ষক আহত হলে তাকে ২০ হাজার টাকা সহায়তা দিতাম। তবে শিক্ষায় অনিয়ম হলে ছাড় দেওয়া যাবে না। কারণ এটা শিক্ষা। শনিবার দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ উপলক্ষে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড, কুমিল্লা অঞ্চলের মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।এসময় শিক্ষামন্ত্রী ড.

আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা যদি সত্যিকার অর্থে ছাত্রদের লেখাপড়া শেখান তাহলে সদকায়ে জারিয়া পাবেন। আমি বলেছিলাম শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার ইবাদতখানা। এখানে আপনি ওজু ছাড়া ঢুকতে পারবেন না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে থেকে অসৎ কাজ করা যায় না। এই মন্ত্রণালয়কে আমি পবিত্র করেছিলাম। সেখানে আপনারা কাজ করেছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে শিক্ষায় দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা অনেক কাজ করেছি, স্বপ্ন একটি, তারেক রহমানের আগামীর বাংলাদেশ গড়া। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অন্য দশটা মন্ত্রণালয়ের মতো না। এখানে যারা কাজ করছেন তারা সবাই সদকায়ে জারিয়া পাবেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ১৯৭২ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত নকলে সহায়তা করেছিলেন শিক্ষকরা। আবার ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আমি নকলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছিলাম। ওই সময়েও আমাকে সহাযোগিতা করেছিলেন শিক্ষকরাই। তার মানে যেভাবে সরকার চায় আপনারা সেভাবে কাজ করবেন। এবার আমরা এসেছি, আমরা নকল চাই না। মন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় যেসব স্কুলে পাসের হার শূন্য থাকবে; সেসব স্কুলের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না। আজ শিল্পকলাতে আমি আপনাদের বলে গেলাম।এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. শামসুল ইসলাম, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মিঞা মো. নূরুল হক, কারিগরী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপুসহ প্রমুখ।
BD24Live
Coverage and analysis from Bangladesh. All insights are generated by our AI narrative analysis engine.