Advertisement
শিক্ষকের রোষানলে মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
World

শিক্ষকের রোষানলে মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

April 4, 2026
BD24Live
Scroll

শিক্ষকের রোষানলে এক বিষয়ে ৫ বার ফেল কুমিল্লার সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থীর ক্ষোভে আত্মহত্যা হাবিবুর রহমান খান কুমিল্লা প্রতিনিধি এক বিষয়ে পাঁচবার পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন অর্পিতা নওশিন নামে এক মেডিকেল শিক্ষার্থী। অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের রোষানলে পড়ে তিনি পর্যাপ্ত নাম্বার পাননি। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজে এ ঘটনা ঘটেছে। সহপাঠীরা জানান, নওশিন মানসিক যন্ত্রণায় ১০৯ পিস এভেন্ডার ৪০ মিলিগ্রাম ওষুধ সেবন করেছিলেন। অর্পিতা নওশিন কুমিল্লার বেসরকারি সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি খুলনা সদরে। এক ভাই-এক বোনের মধ্যে অর্পিতা ছোট। খুলনার সরকারি করোনেশন গার্লস হাই স্কুল থেকে এসএসসি ও খুলনা কলেজিয়েট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কেসিসি উইমেন কলেজ থেকে এইচএসসি দিয়েছিলেন নওশিন। এরপর সাদা এপ্রোনের মায়ায় পড়ে ভর্তি হয়েছিলেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানটিতে। কিন্তু চিকিৎসক না হয়েই বাড়ি ফিরছে নওশিনের নিথর দেহ। অর্পিতার বন্ধুরা জানান, প্রথম প্রফেশনাল পরীক্ষায় সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হলেও এনাটমি বিষয়ে অকৃতকার্য হন নওশিন। এরপর গত তিন বছরে আরও ৪ বার এনাটমির পরীক্ষা দিয়েছেন তিনি। কিন্তু প্রত্যেকবারই পরীক্ষায় তাকে ফেল দেখানো হয়েছে। তারা বলছেন, গত ৮ মার্চ চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ব্যাচের তৃতীয় প্রফের ফল প্রকাশ করে। ২০২১-২২ সেশনের সবাই এখন পঞ্চমবর্ষে পড়ছেন। কিন্তু অর্পিতা নওশিনের ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি এখনো প্রথম প্রুফ পরীক্ষাই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। অর্পিতা শারমিনের ভাই শাহরিয়ার আরমান বলেন, আমার বোনের এরকম কোনো মানসিকতা নাই যে সে আত্মহত্যা করবে। মূলত কলেজের মানসিক চাপ থেকে এটা করেছে। নওশিন বারবার এনাটমি বিভাগের মনিরা ম্যাডামের কথা বলত। একদম ফার্স্ট ইয়ার থেকে আমার বোনকে মানসিক নিপীড়ন করেছেন তিনি। সবাইকে পাশ করে দেন, আমার বোন প্রত্যেকটা সাবজেক্ট পাশ করে, কিন্তু ওই একটা সাবজেক্টে আটকে রাখে। আমি বলেছি যে আমার বোনের সমস্যা কোথায় বলেন, তাও বলবে না। প্রেসার দিতে দিতে আমার বোনকে মেন্টালি নিপীড়ন যারা করেছে, তারাই এই মার্ডার করেছে। শাহরিয়ার আরমান বলেন, গতকালও ওর সঙ্গে আমি কথা বলেছি। ফর্ম ফিলআপের জন্য টাকা নিয়েছে। আমাকে বলল- ‘ভাই, আমি তো বাড়িতে বলতে পারছি না, আব্বুর ভয়ে, এখন তুই একটু ম্যানেজ কর। আমি বললাম, ঠিক আছে, তুই তোর বন্ধুর সঙ্গে ফর্ম ফিলআপটা কর, আমি টাকা পাঠাচ্ছি।’ আর আজকে এরকম খবর পাব কোনোদিন কল্পনা করিনি। এ বিষয়ে সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা.

শিক্ষকের রোষানলে মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

ফজলুল হক লিটন ও এনাটমি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মনিরা জহিরের মোবাইলে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তারা রিসিভ করেননি। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ওসি মোহাম্মদ সিরাজুল মোস্তফা বলেন, সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের ছাত্রীর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

BD24Live
BD24Live

Coverage and analysis from Bangladesh. All insights are generated by our AI narrative analysis engine.

Bangladesh
Bias: Unknown
Advertisement
You might also like

Explore More