Advertisement
রাত ৮টার ডেডলাইনে পরিবর্তন, ৫৯ সেকেন্ডের ভিডিওর শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের বার্তা
World

রাত ৮টার ডেডলাইনে পরিবর্তন, ৫৯ সেকেন্ডের ভিডিওর শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের বার্তা

April 7, 2026
BD24Live
Scroll

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে দেয়া মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত ৮টার (ইস্টার্ন টাইম) ডেডলাইন আনুষ্ঠানিকভাবে আর বাড়াননি। তবে তিনি স্বীকার করেছেন, কার্যত একদিন ‘অতিরিক্ত সময়’ দেয়া হয়েছে। হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত ৫৯ সেকেন্ডের ভিডিওতে ট্রাম্প বলেন, ‘এটি একটি সংকটময় সময়। তাদের আগামীকাল (মঙ্গলবার) রাত ৮টা পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে।’ তিনি ব্যাখ্যা করেন, শুরুতে ইরানের অনুরোধে ৭ দিনের একটি এক্সটেনশন দেয়া হয়েছিল, পরে সেটিকে ১০ দিনে উন্নীত করা হয়। তবে ‘ইস্টারের পরদিন সামরিক হামলা চালানো ঠিক হবে না’ বিবেচনায় তিনি সময়সীমা কার্যত ১১ দিনে বেঁধে দেন। খবর গালফ নিউজের। ট্রাম্পের ভাষায়, ‘১০ দিনের সময়সীমা আজই শেষ হয়েছে। তাই বলা যায়, পরোক্ষভাবে আমি ১১ দিন দিয়েছি। আমি ভালো মানুষ হতে চাই।’ তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, নতুন করে কোনো আনুষ্ঠানিক এক্সটেনশন দেয়া হয়নি-ডেডলাইন অপরিবর্তিত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘তাদের হাতে মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত সময় আছে। এরপর আমরা দেখব কী হয়।’ একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, সময়সীমার মধ্যে সমঝোতা না হলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো-বিশেষ করে সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র-‘পুরোপুরি ধ্বংস’ করে দেয়া হবে এবং দেশটিকে ‘প্রস্তর যুগে’ ফিরিয়ে নেয়া হতে পারে। এদিকে, চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান সংঘাতের মধ্যে জাতিসংঘ নতুন করে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটির মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেসের পক্ষ থেকে মুখপাত্র স্টিফেন ডুজেরিক বলেন, ‘বেসামরিক অবকাঠামো, বিশেষ করে জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে কোনোভাবেই লক্ষ্যবস্তু করা উচিত নয়।’ তিনি সতর্ক করেন, কোনো স্থাপনা সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হলেও যদি তাতে অতিরিক্ত বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি হয়, তাহলে তা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের লঙ্ঘন হবে। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাত ৮টা ইস্টার্ন টাইম বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল প্রায় ৬টা। এখন নজর রয়েছে-এই সময়সীমার মধ্যে কোনো কূটনৈতিক সমঝোতা হয় কিনা, নাকি পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ সামরিক সংঘাতের দিকে এগোয়।

রাত ৮টার ডেডলাইনে পরিবর্তন, ৫৯ সেকেন্ডের ভিডিওর শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের বার্তা
BD24Live
BD24Live

Coverage and analysis from Bangladesh. All insights are generated by our AI narrative analysis engine.

Bangladesh
Bias: Unknown
Advertisement
You might also like

Explore More