যশোর শিক্ষাবোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার্থী কমেছে চার হাজার
0
World

যশোর শিক্ষাবোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার্থী কমেছে চার হাজার

April 20, 2026
Scroll

Posted 5 hours ago by

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে। যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড থেকে চলতি শিক্ষা বছরে অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯ জন শিক্ষার্থী। খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ২৯৯টি পরীক্ষা কেন্দ্রে এসব পরীক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবে। গতবারের চেয়ে এবার পরীক্ষার্থী কমেছে প্রায় চার হাজার। শিক্ষাবোর্ডের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্নের সাথে শতভাগ নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কক্ষেই বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। তবে বিদ্যুত সঙ্কট নিয়ে দুর্ভাবনা রয়েছে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মনে। সিসি ক্যামেরার জন্য নয়; ঝড়-বৃষ্টির সময় বিদ্যুৎ চলে গেলে অন্ধকারাচ্ছন্ন কক্ষে পরীক্ষা দেওয়া নিয়েই দুশ্চিন্তা তাদের। আর শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নির্দেশের পর পাবলিক পরীক্ষায় সাইলেন্ট এক্সপেল (নীরব বহিষ্কার)-এর পুরনো নিয়ম বাদ দেওয়া হয়েছে। যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২১ এপ্রিল সারাদেশে একযোগে শুরু হতে যাচ্ছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা ২০২৬। এবারের পরীক্ষায় যশোর শিক্ষাবোর্ডের ২ হাজার ৫৭২টি মাধ্যমিক স্কুল থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। এর মধ্যে অনিয়মিত পরীক্ষার্থী ২৫ হাজার ৬৭৮ জন ও জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থী ১৪৫ জন। ২০২৫ সালে এ বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৫১ জন। সে অনুযায়ী এবার ৩ হাজার ৭৬২ জন পরীক্ষার্থী কমেছে। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৬ হাজার ৯২৮ জন ছাত্র ও ৬৮ হাজার ১৬১ জন ছাত্রী। যশোর শিক্ষাবোর্ডের অধীনে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার মধ্যে খুলনা জেলার ৪০৪ স্কুলের পরীক্ষার্থী সংখ্যা ২১ হাজার ৪২৮ জন। যশোর জেলার ৪৮৯ স্কুলে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ২২ হাজার ৮৮ জন। বাগেরহাট জেলার ২৯৫ স্কুলের পরীক্ষার্থী ১১ হাজার ৯২৬ জন। সাতক্ষীরা জেলার ২৯৭ স্কুলে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১৪ হাজার ২৪৭ জন। কুষ্টিয়া জেলার ২৭২ স্কুলে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১৯ হাজার ৭৪৯ জন। চুয়াডাঙ্গা জেলার ১৪১ স্কুলে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৮ হাজার ৯৬২ জন। মেহেরপুর জেলার ১১৭ স্কুলে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৬ হাজার ২০০ জন। নড়াইল জেলার ১১৭ স্কুলে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৬ হাজার ৬৪ জন। ঝিনাইদহ জেলার ২৭৪ স্কুলে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১৬ হাজার ৩৪৯ জন। মাগুরা জেলার ১৬৬ স্কুলে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৮ হাজার ৭৬ জন। যশোর স্থানীয় খবর বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানায়, শতভাগ নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে এবং কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত নজরদারি নিশ্চিত করা হবে। এরই মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে ২৯৯ জন কেন্দ্র সচিবকে নিয়ে মতবিনিময় সভা করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী নিজে বিভিন্ন ধরণের পরামর্শ ও নির্দেশনা দিয়েছেন। পরীক্ষা পরিচলনা করার জন্য বোর্ডের পক্ষ থেকে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে কেন্দ্র সচিবদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠানের নিজ ব্যবস্থাপনায় বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। প্রতি সপ্তাহে কেন্দ্রের ভিডিও ফুটেজ বোর্ডে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে বিদ্যুত সঙ্কট নিয়ে দুর্ভাবনা রয়েছে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মনে। সিসি ক্যামেরার জন্য নয়; ঝড়-বৃষ্টির সময় বিদ্যুৎ চলে গেলে অন্ধকারাচ্ছন্ন কক্ষে পরীক্ষা দেওয়া নিয়েই দুশ্চিন্তা তাদের। যশোর শহরের ষষ্ঠীতলাপাড়া এলাকার অভিভাবক সুমাইয়া খাতুন জানান, ঝড়-বৃষ্টির সময় এসএসসি পরীক্ষা হচ্ছে। লোডশেডিংও বাড়ছে। কোনো কোনো কেন্দ্রে ঝড়বৃষ্টির সময় পরীক্ষা কক্ষ অন্ধকার হয়ে থাকে। পত্রিকায় দেখি মোমবাতি জালিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে। সন্তানদের এমন পরিস্থিতির শিকার যাতে হতে না হয়, তাই নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড.

যশোর শিক্ষাবোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার্থী কমেছে চার হাজার

আব্দুল মতিন বলেন, ‘শিক্ষাবোর্ডের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়মের সুস্পষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে পরীক্ষা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নির্দেশের পর পাবলিক পরীক্ষায় সাইলেন্ট এক্সপেল (নীরব বহিষ্কার)-এর পুরনো নিয়ম বাদ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে নীতিমালা ২৯ ধারা বাতিল বলে গণ্য হবে। এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালায় অনুচ্ছেদ নম্বর ২৯ ধারায় সাইলেন্ট এক্সপেলের কথা বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা পরিচালনা-সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৬-এর ২৯ অনুচ্ছেদটি বাতিল করা হলো। এর আগে শনিবার দুপুরে এসএসসি, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় ‘নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ প্রথা বাতিলের নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী।

BD24Live
BD24Live

Coverage and analysis from Bangladesh. All insights are generated by our AI narrative analysis engine.

Bangladesh
Bias: Unknown

People's Voices (0)

Leave a comment
0/500
Note: Comments are moderated. Please keep it civil. Max 3 comments per day.
You might also like

Explore More