Advertisement
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ১৫ বিঘা গমক্ষেত পুড়ে ছাই
World

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ১৫ বিঘা গমক্ষেত পুড়ে ছাই

April 4, 2026
BD24Live
Scroll

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের গাঁওপাড়া গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৫ বিঘা জমির পাকা গম পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে ।এতে স্থানীয় কৃষকরা সাড়ে ৪ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সরকারি সহায়তা কামনা করেছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে খড় পোড়ানো নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে বাগাতিপাড়া উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের গাঁওপাড়া বিল এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাশ্ববর্তী রাজশাহীর বাঘা উপজেলার ঝিনা গ্রামের কৃষক রহম আলী তার জমিতে গম কাটার পর অবশিষ্ট খড় (খেড়) পোড়াতে আগুন দেন। কিন্তু প্রবল বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত গাঁওপাড়া বিলের বিস্তীর্ণ গমক্ষেতে ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেও তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। মুহূর্তের মধ্যেই পাকা গম পুড়ে কয়লায় পরিণত হয়। উপজেলার গাঁওপাড়া এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মশিউর রহমান বাবু (৪৮) জানান, তার আড়াই বিঘা জমির পুরো গম পুড়ে গেছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয়রা রহম আলীকে বাতাস ও রোদ বেশি থাকায় খড় পোড়াতে নিষেধ করলেও তিনি তা অমান্য করেন। এর ফলে ভয়াবহ এই ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় জালাল আলীর ৩ বিঘা, আজগর আলীর আড়াই বিঘা, শাহবাজ আলীর দেড় বিঘা, মনসুর আলীর ১০ কাঠাসহ আরও অনেক কৃষকের পাকা গম পুড়ে গেছে। এতে তাদের প্রায় ৪ লাখ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আরেক কৃষক শাহবাজ আলী (৫০) বলেন, আরেক কৃষক শাহবাজ আলী (৫০) জানান, তার দেড় বিঘা জমিতে গম চাষ করেছিলেন। আগুনে তার পুরো ফসল পুড়ে যাওয়ায় তিনি চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। শুধু তিনি নন, একই ঘটনায় বিলের আরও অনেক কৃষকের মৌসুমি গম সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড.

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ১৫ বিঘা গমক্ষেত পুড়ে ছাই

ভবসিন্ধু রায় বলেন, এটি একটি অপরাধমূলক ঘটনা এবং দুই উপজেলার সংশ্লিষ্টতা থাকায় প্রতিকার পেতে হলে আইনের আশ্রয় নিতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদেরকে সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। বাগাতিপাড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মনজুর আলম বলেন, এ বিষয়ে কেও থানায় লিখিত অভিযোগ করেন নি। খড় পোড়ানোর মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজ বন্ধে প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন, নইলে এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটবে।

BD24Live
BD24Live

Coverage and analysis from Bangladesh. All insights are generated by our AI narrative analysis engine.

Bangladesh
Bias: Unknown
Advertisement
You might also like

Explore More