
ধূমপান ত্যাগে সবচেয়ে কার্যকর ‘ভেপ’, কিন্তু রয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকির শঙ্কা
April 4, 2026
BD24Live
২০১৪ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত পরিচালিত এক দীর্ঘমেয়াদী বৈশ্বিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ধূমপান ত্যাগের ক্ষেত্রে নিকোটিনযুক্ত ইলেকট্রনিক সিগারেট বা ‘ভেপ’ সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। গবেষণার ফলাফলে জানা গেছে, নিকোটিন প্যাচ, চুইং গাম, চকলেট বা শুধুমাত্র আচরণগত সহায়তার তুলনায় নিকোটিনযুক্ত ভেপ ব্যবহারকারীরা দ্রুত এবং সফলভাবে তামাক ত্যাগ করতে পারছেন। এমনকি নিকোটিনবিহীন ই-সিগারেটের তুলনায়ও নিকোটিনযুক্ত ভেপের প্রভাব বেশি কার্যকর বলে গবেষণায় বলা হয়েছে। কার্যকর হলেও রয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি ভেপ ধূমপান ত্যাগে সহায়তা করলেও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, একটি নিকোটিন পণ্যের বদলে অন্যটি গ্রহণ করা দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন-এর মতে, সিগারেটের বদলে ভেপ ব্যবহার করা মানেই তা সম্পূর্ণ নিরাপদ—এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই। বিষাক্ত রাসায়নিকের উপস্থিতি সাধারণ সিগারেটের ধোঁয়ায় প্রায় ৭ হাজারটি বিষাক্ত পদার্থ থাকে, যেখানে ই-সিগারেটে ক্ষতিকর রাসায়নিকের পরিমাণ অনেক কম। তবুও চিকিৎসকেরা সতর্ক করেছেন যে, ই-সিগারেট বা ভেপ কোনোভাবেই পুরোপুরি নিরাপদ নয়। প্রচলিত ধূমপান যেমন ক্যান্সার, বিপাকজনিত সমস্যা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির সঙ্গে সম্পর্কিত, তেমনি ই-সিগারেটের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়েও বিজ্ঞানীরা উদ্বিগ্ন। বর্তমানে বিজ্ঞানীরা ই-সিগারেটের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে গভীর গবেষণা চালাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে ভেপ ব্যবহারের ফলে শরীরে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তাই ধূমপান ত্যাগের সহায়ক হিসেবে ই-সিগারেট ব্যবহার করলেও এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। সূত্র: সামা টিভি

BD24Live
Coverage and analysis from Bangladesh. All insights are generated by our AI narrative analysis engine.