
0
চাঁদের রঙিন পৃষ্ঠ দেখে বিস্মিত নভোচারীরা
April 19, 2026
Posted 4 hours ago by
নাসার ৯ দিনের আর্টেমিস-২ মিশন সফলভাবে পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এই মিশনের মধ্যে সাত ঘণ্টাব্যাপী চন্দ্র-ফ্লাইবাই পর্বে ওরিয়ন মহাকাশযানে থাকা চার নভোচারী পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ চাঁদের কিছু অসাধারণ ছবি ধারণ করতে সক্ষম হন। পাশাপাশি তারা এমন একটি বিষয়ও লক্ষ্য করেন, যা অনেকের কাছেই বিস্ময়কর মনে হতে পারে। চাঁদকে সাধারণত একরঙা ধূসর ভাবা হলেও এর পৃষ্ঠ আসলে আশ্চর্যজনকভাবে বেশ রঙিন। মিশন চলাকালীন সিবিএস নিউজকে নাসার ডেপুটি অ্যাসোসিয়েট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ফর এক্সপ্লোরেশন জোয়েল কার্নস বলেন, ‘তারা কয়েকটি বিষয় আমাদের জানিয়েছে এবং কিছু বিষয়ে মতামতও চেয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো, তারা চাঁদে অনেক রঙ দেখতে পাচ্ছে।’ জানা গেছে, নাসা আগে থেকেই আশা করেছিল, কাছ থেকে চাঁদ দেখার সময় নভোচারীরা এর প্রকৃত রঙ প্রত্যক্ষ করতে পারবেন। কারণ, মহাকাশযানের ক্যামেরার তুলনায় মানুষের চোখ অনেক সহজে সূক্ষ্ম রঙের পার্থক্য শনাক্ত করতে পারে। চাঁদে বিশেষ করে নভোচারীরা বাদামি ও সবুজাভ কিছু অঞ্চল দেখতে পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। এসব বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান, খনিজ পদার্থ বা পৃষ্ঠতলের পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর্টেমিস-২ মিশনের নভোচারীরা চাঁদের এসব রঙ ও অন্যান্য ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। যেহেতু এই মিশনে চাঁদে অবতরণ করা হয়নি, তাই দূর থেকে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করা ছিল মিশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ উদ্দেশ্যে ক্রু সদস্যরা তাদের পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে বিস্তারিত নোট ও লগ সংরক্ষণ করেছেন, যা পরে বিশ্লেষণ করা হবে। অবশ্য নভোচারীরা শুধু নিজেদের চোখের ওপর নির্ভর করেননি। তারা বিপুলসংখ্যক ছবি সঙ্গে নিয়ে ফিরেছেন, যার অল্প কিছু মিশন চলাকালীন পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল। বিশেষজ্ঞরা আগামী কয়েক সপ্তাহ ও মাসজুড়ে এসব তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করবেন। আশা করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে চাঁদ সম্পর্কে আরও অনেক নতুন ও আকর্ষণীয় তথ্য সামনে আসবে, যা ভবিষ্যৎ মিশনের জন্য নাসাকে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে। সূত্র: সায়েন্সিং.কম।

BD24Live
Coverage and analysis from Bangladesh. All insights are generated by our AI narrative analysis engine.