ইসরায়েলের ধ্বংস চেয়ে দেওয়া পোস্ট মুছে দিলেন খাজা আসিফ
World

ইসরায়েলের ধ্বংস চেয়ে দেওয়া পোস্ট মুছে দিলেন খাজা আসিফ

April 10, 2026
BD24Live
Scroll

লেবাননে ব্যাপক প্রাণঘাতী হামলার পর ইসরায়েলের ধ্বংস চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে যে পোস্ট দিয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ, তা মুছে দিয়েছেন তিনি। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, পোস্টটির কোনো হদিস আর পাওয়া যাচ্ছে না। গত বুধবার (৮ তারিখ) লেবাননে ইসরায়েলের বিমান অভিযানের পর তার নিন্দা জানিয়ে পোস্ট দিয়েছিলেন খাজা আসিফ। সেখানে তিনি বলেছিলেন, “লেবাননে হামলার পর এক্সে ইসলায়েলের নিন্দা জানিয়ে একটি পোস্ট করেন খাজা আসিফ। সেই পোস্টে তিনি বলেন, “ইসরায়েল একটি শয়তান এবং মানবতার জন্য অভিশাপ। এদিকে ইসলামাবাদে শান্তি সংলাপের প্রস্তুতি চলছে, অন্যদিকে লেবাননে গণহত্যা চালানো হচ্ছে। ইসরায়েলের হাতে নিরপরাধ লোকজন নিহত হচ্ছেন, প্রথমে গাজায়, তারপর ইরানে এবং এখন লেবাননে। রক্তপাত অব্যাহত আছে।” “আমি আশা করি এবং প্রার্থনা করি যে ইউরোপীয় ইহুদিদের থেকে মুক্তি পেতে যারা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের মতো একটি ক্যান্সার রাষ্ট্র সৃষ্টি করেছিল, নরকের আগুন যেন তাদের গ্রাস করে।” খাজা আসিফের এই বক্তব্যের কিছুক্ষণ পরেই এক্সে প্রতিক্রিয়া জানান নেতানিয়াহু। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েলকে ধ্বংসের ডাক দিয়েছেন। এটি ভয়ানক। কোনো দেশের সরকারের কাছ থেকে এ বক্তব্য প্রত্যাশিত নয়, বিশেষ করে এমন একটি সরকারের কাছ থেকে তো নয়ই— যারা নিজেদের ‘শান্তির জন্য নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী’ বলে দাবি করে।” ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সা’র-ও খাজা আসিফের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন। পৃথক এক এক্সপোস্টে তিনি বলেছেন, “‘শান্তি মধ্যস্থতার’ দাবিদার একটি সরকারের পক্ষ থেকে আসা এই নির্লজ্জ ইহুদি-বিদ্বেষী রক্ত-অপবাদকে ইসরায়েল অত্যন্ত গুরুতরভাবে দেখে। ইহুদি রাষ্ট্রকে ‘ক্যান্সার’ হিসেবে উল্লেখ করা কার্যত এই রাষ্ট্রকে ধ্বংসের আহ্বান জানানো। যারা ইসরায়েলকে ধ্বংসের আহ্বান জানায়, সেসব সন্ত্রাসীদের হাত থেকে ইসরায়েল সবসময় নিজেকে রক্ষা করবে।” সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল।

ইসরায়েলের ধ্বংস চেয়ে দেওয়া পোস্ট মুছে দিলেন খাজা আসিফ
BD24Live
BD24Live

Coverage and analysis from Bangladesh. All insights are generated by our AI narrative analysis engine.

Bangladesh
Bias: Unknown
You might also like

Explore More